সময়ে নির্বাচন শেষ করে সরকার গঠন না করা গেলে রাষ্ট্রপতি শাসনের সম্ভাবনাও আছে বলে মনে করা হচ্ছে, এ মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম এসআইআরে এখনও বিচারাধীন। এর মধ্যেই রাজ্যে হঠাৎ মেয়াদ শেষের আগেই রাজ্যপাল বদল করা হয়েছে, শনিবার বাংলায় এসেছিলেন রাষ্ট্রপতিও। এবার এই নিয়েই আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি আসছে কলকাতার পাশের জেলা-সহ রাজ্যের চার জেলায়! আবহাওয়ার চমক
advertisement
তিনি কেন্দ্রকে আক্রমণ করে বলেন, “ভোটের সময় রাজ্যপাল পরিবর্তন কেন? তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে কেন পাঠানো হয়েছে? কোনও ব্লু প্রিন্ট আছে নাকি? রাষ্ট্রপতি শাসনের পরিকল্পিনা আছে নাকি?”
সেই সঙ্গে এসআইআরের প্রতিবাদে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতি শাসনের পরিকল্পনা করে গেলেন নাকি? রাজ্যপাল অবধি বদলে দিলেন। তামিলনাড়ু থেকে রাজ্যপাল পাঠাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলবেন? এরা সব হাম্পটি ডাম্পটি। এরা সব বাংলার সীমান্তে দাঁড়িয়ে আছে। যদি কিছু খুবলে খাওয়া যায়। যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা। বাংলার ভোটের পরে টার্গেট দিল্লি। সারা দেশ ঘুরব, বাংলা নিয়ে জ্বলছো আর লুচির মতো ফুলছো। অপেক্ষা করো জবাব পাবে”।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টের তালিকায় একজন মাত্র ভারতীয়, জানেন কে জায়গা পেলেন?
ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে শনিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে জবাব দিয়ে বলেন, “বিজেপি সংবিধানকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে সংবিধানকে৷ মাননীয়া রাষ্ট্রপতিকে দিয়েও বিজেপি-র বেচতে পাঠানো হয়েছে৷ আপনি বিজেপি-র ফাঁদে পা দিয়েছেন৷ আপনি বলছে সাঁওতালিদের অনুষ্ঠানে আমরা কাউকে যেতে দিইনি৷ আমরা তো জানতামই না৷ আপনি আসছেন সেটুকু শুধু জানতাম৷”
রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে না যাওয়া প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বছরে একবার আসুন, আপনাকে রিসিভ করব৷ পঞ্চাশ বার আসলে কী করে যাবো? আমি এসআইআর নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ধরনা দেব না আপনার অনুষ্ঠানে যাবো? আপনি বিজেপি-র প্রায়োরিটি, আমার কাছে অগ্রাধিকার মানুষ৷ আপনি বলেন কী করে সাঁওতালিদের উন্নতি হয়নি৷ কী করে বলছেন সাঁওতালিরা জোট বাঁধো?”
