বেলায় রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির প্রতিনিধিদল। তারপরই রাজ্যপালের ফোন মুখ্যমন্ত্রীকে। ফোনে রাজ্যপালের যে ভাষায় কথা বলেছেন তাতে প্রচণ্ড অপমানিত মুখ্যমন্ত্রী। এতটাই যে, পদ ছাড়ার কথাও ভেবেছিলেন। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্যের দুই প্রশাসনিক প্রধানের মধ্যে এই ঘটনা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ৷ রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে সরাসরি সংঘাত মুখ্যমন্ত্রীর ৷ সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রাজ্যপাল আমাকে অসম্মান করেছেন ৷ বিজেপি-র হয়ে কথা বলছেন রাজ্যপাল ৷ তাঁর কথা অনেকটা বিজেপি ব্লক সভাপতির মতো শোনাচ্ছে ৷ রাজ্যপালের কথায় অসম্মানিত হয়েছি ৷ রাজ্যপাল আমাকে থ্রেট করতে পারেন না ৷ রাজ্যপালের দয়ায় ক্ষমতায় আসিনি ৷ আমার সঙ্গে এভাবে কথা বলবেন না ৷ আমি রাজ্যপালকে একথা বলেছি ৷’
advertisement
এখানেই শেষ নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি এতটাই অপমানিত বোধ করেছেন যে পদত্যাগের কথাও ভেবেছিলেন ৷ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলছেন মুখ্যমন্ত্রী? এমনটা সম্ভবত দেখা যায়নি ভারতীয় রাজনীতিতে ৷
রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী বলেন, রাজ্যে এসব কী হচ্ছে? আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। প্রশাসন কি করছে? পুলিশ - আধাসেনা কোথায়? কেন কড়া হয়নি রাজ্য?
এদিন রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর আলোচনার সময়ই এই বিতর্কের সূত্রপাত ৷
