আরও পড়ুন Mamata Banerjee: রেড রোড থেকে সোজা রিজওয়ানুর রহমানের বাড়িতে মমতা, কথা বললেন পরিবারের সঙ্গে
গত ৪ঠা এপ্রিল হাঁসখালি শ্যামনগর গ্রামে নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ব্রজ ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় ব্রজ গোয়ালি ও তার বন্ধু প্রভাকর পোদ্দার জেলা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও বাকিরা অধরা ছিল। হাইকোর্ট তদন্ত নির্দেশ দেয় সিবিআইকে। সিবিআই এরপরই রানাঘাট থেকে গ্রেফতার করে গণধর্ষণে অভিযুক্ত রঞ্জিত মল্লিককে। এরপর হুমকি ও প্রমান লোপাটের অভিযোগে গ্রফতার করা হয় এক নাবালক সহ আকাশ বড়াই, দীপ্ত গয়ালিকে । ব্রজর বাবা সমর গোয়ালি এবং সমরের ঘনিষ্ঠ পীযুষ ভক্তকেও গ্রেফতার করে সিবিআই। তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারকে হুমকি ও প্রমাণ লোপাটের। মোট ছ’ জনকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সেই সমস্ত বিস্তারিত রিপোর্ট সিবিআই জানায় হাইকোর্টকে।
advertisement
অন্যদিকে, রামপুরহাটে ভাদু শেখ খুনেও হাইকোর্টে প্রথম স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই । তদন্ত নেওয়ার পর এটাই প্রথম স্টেটাস রিপোর্ট সিবিআইয়ের। কীভাবে ঘটনা ঘটে, কী কারণে খুন ও যাবতীয় তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সিবিআই হাইকোর্টে জমা দিয়েছে।রামপুরহাটে ভাদু খুনের কিছু ক্ষণ পরই ঘটে বগুটুই অগ্নিসঙ্গযোগের ঘটনা।
আরও পড়ুন CPIM New Strategy|| খরগোশ-কচ্ছপের দৌড় মনে আছে? সেই সমীকরণেই কি এগোতে চাইছে সিপিআইএম? কী সেই ছক?
অন্যদিকে, বগুটুই অগ্নি সংযোগকাণ্ডে দ্বিতীয় স্টেটাস রিপোর্ট দেয় সিবিআই। বগুটুই অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তদন্ত অগ্রগতি সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে স্টেটাস রিপোর্টে। সিবিআই সূত্রে খবর,বগুটুইকাণ্ডে মুম্বই থেকে সিবিআই গ্রেফতার করে বাপ্পা শেখ, সাবু শেখ, চাঁদ শেখ, পল্টু শেখকে। এরপর সিবিআইয়ের হাতে আসে সমীর এবং রিটন শেখ। বগুটুই অগ্নি সংযোগের ঘটনায় মোট ছ’ জনকে সিবিআই গ্রেফতার করে।তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্টেটাস রিপোর্ট একসঙ্গে পেশ করে সিবিআই। যা কিনা অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
Arpita Hazra
