স্বরূপের কথায়, “প্রোডাকশন হাউজের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে অবশ্যই গাফিলতি ছিল। না হলে এরকম একটা প্রাণ কী করে চলে গেল। যে কোনও টেকনিশিয়ান বা কলাকুশলীদের সঙ্গেও এটা ঘটতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মবিধি লঙ্ঘন করা হয়।”
এরই মধ্যে এবার মুখ খুললেন সিপিআইএম নেতা শতরূপ ঘোষ। প্রসঙ্গত, তমলুকের হাসপাতালে সোমবার সকালে ময়নাতদন্ত হয় রাহুলের। সেখান থেকে শতরূপরাই মরদেহ নিয়ে কলকাতায় ফেরেন। বিজয়গড়ের বাড়িতে রাখা হয় মরদেহ। এরপর রাহুলের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানে। সেখানেই সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য।
advertisement
এরপরই গুরুতর প্রশ্ন তোলেন শতরূপ। কী বলেন তিনি? শতরূপ প্রশ্ন তুলেছেন, যে প্রোডাকশন হাউজের এই ধারাবাহিক ছিল সেই লীনা গঙ্গোপাধ্যায় সরকার ঘনিষ্ঠ। তাই তদন্ত যেন কোথাও ধামাচাপা না পড়ে। শতরূপ জানান, তারা এই শেষকৃত্য মিটে যাওয়ার পরেও কিন্তু শেষটা দেখবেন। রাহুলকে শুধু ফুল মালায় চিরবিদায় জানাবেন না তাঁরা।
প্রসঙ্গত, রবিবার দুর্ঘটনার পরেই সোমবার দুপুরেই রাহুলকে নিয়ে কলকাতার দিকে রওনা হয় শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর রওনা দেন। শতরূপরা, রাহুলের গাড়িচালক, ‘ভোলেবাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যরা তাঁর দেহ শেষবারের মতো কলকাতায়, তাঁর বাড়িতে নিয়ে আসেন। তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী জলে ডুবেই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনা জল পাওয়া গেছে। এছাড়াও খাদ্যনালি, শ্বাসনালি ও পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, অল্প সময় নয়, বরং দীর্ঘ সময় জলের নিচে থাকলে এমনটা ঘটে। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিনেতা অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন।
