তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা বলেন, ‘জনগণের ভোটকে অনাদর করলাম না। জনগণ খারাপ পাবেন না। আমার উপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। আমি আজ তৃণমূলে ঢুকেছি। গত পাঁচ বছরে অনেক কিছু দেখেছি। শিখেছি। উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র টাকা পাঠাত না, সেই দলে ছিলাম। এই কাজ সরকার নিজেই উন্নয়নের কাজ করেছে। আমি দল ছাড়তে পারিনি। কারণ আমার ভোটারদের জন্য। পাঁচ বছর আমি দেখেছি… বিশৃঙ্খল রাজনীতি আমাকে ভিতরে ভিতরে আঘাত দিত। ওনারা গোর্খাদের মিথ্যা বলেছেন। আমার জনগণ আমাকে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছেন। আমি কি তাঁদের জন্য জুমলা রাজনীতি করব! ওরা গোর্খাদের জন্য কিছু করবে না।’
advertisement
আরও পড়ুন: রান্নার আগে চাল ভিজিয়ে রাখা কেন জরুরি? কখনও ভেবেছেন? কোন চাল কত সময় ভেজালে উপকার জানুন
বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার বিস্ফোরক দাবি, ‘ইন্টারলোকেটর রেখেছে ওনারা। তাকে হোটেলে রাখছেন । তার খরচ দিচ্ছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ। তাঁর তো অফিস থাকবে, অফিস কোথায়? সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। নির্বাচনের জন্য এসেছে। বিজেপিকে বিশ্বাস করে দার্জিলিংয়ের উন্নয়ন করতে পারছি না। আমি চিন্তা করলাম। আমার চিন্তার সলিউশন দিদি… আমি এখানে আশ্রয় নিলাম। এসআইআর নিয়ে আমি অনেকবার বিরোধিতা করে পোস্ট করেছি।’
তৃণমূলে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের তিনটি আসনেই ধরাশায়ী হয়েছিল ঘাসফুল শিবির। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই পাহাড়ে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা দীর্ঘদিন ধরেই পৃথক উত্তরবঙ্গ বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দাবিতে সরব ছিলেন, যা নিয়ে মাঝেমধ্যেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হত। ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় পাহাড়ে শক্তি বৃদ্ধি হল শাসকদলের।
অমিত সরকার
