বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইস্তেহারে একটি ‘হোয়াইট পেপার’ও থাকতে পারে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের শাসন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হবে।
কীভাবে তৈরি হচ্ছে বিজেপির ইস্তেহার?
বঙ্গ নির্বাচনের ইস্তেহার তৈরিতে প্রায় একমাস ধরে বিস্তৃত পরামর্শ প্রক্রিয়া চালিয়েছে বিজেপি। দলীয় সূত্রের দাবি, সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নকে ইস্তেহারের কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে রাখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বর্তমান রাজ্যে কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি নিয়ে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। তাই ইস্তেহারে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পোন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরা হতে পারে।
advertisement
আরও পড়ুন: আমলা-পুলিশ-জেলাশাসকের পর এবার ৭৩ রিটার্নিং অফিসারকে বদলি, নয়া অফিসার তালিকাও দিয়ে দিল কমিশন
প্রচারের মূল ফোকাস কী?
ইস্তেহার প্রকাশের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করছে বিজেপি। ২২ মার্চ শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সুনীল বনসল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। সেখানে তৃণমূল স্তরে প্রচার জোরদার করার কৌশল নির্ধারণ করা হয়।
দলীয় পরিকল্পনায় রয়েছে পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলে বাড়ি বাড়ি প্রচার, বুথস্তরের সংগঠন মজবুত করা এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো। উত্তরবঙ্গের প্রচারে উন্নয়ন, পরিকাঠামো এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে শাসন পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেই তারা প্রচার চালাবে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই পাল্টা দাবি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইস্তেহার প্রকাশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। মহিলা, যুবসমাজ, কর্মসংস্থান এবং উত্তরবঙ্গ– এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখেই বিজেপি তাদের নির্বাচনী প্রচারের রূপরেখা সাজাচ্ছে। পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারে গতি আনতে শীর্ষ নেতৃত্বের দুর্গাপুর সফরেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
