TRENDING:

‘একমাসের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে উঠে যেতে হবে’ নোটিশ টাঙিয়ে দিল বিধাননগর পৌরসভা, চরম আতঙ্ক

Last Updated:

পৌরসভা ভেঙে দেবে বাড়ি, গৃহহীন হওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত বিধান নগর ৩৫,৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। 

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কলকাতা:  কারও জন্ম হয়েছে ওখানে। কেউ বা ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে। আবার কেউ বৃদ্ধ হয়ে মারাও গেছেন। পঞ্চাশ বছরের বেশি ওখানে বসবাস সবার। হঠাৎ করে প্রতিটি বাড়ির দরজার সামনের দেওয়ালে বাড়ি ভেঙে ফেলার নোটিশ দিয়ে গেছে বিধান নগর পৌর নিগম। ৬ জুন নোটিশ দিয়ে বলা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে বাড়ি খালি করে দিতে।নইলে পৌরসভার বাড়িগুলি ভেঙে দেবে। নোটিশ পেয়ে সবার মধ্যে আতঙ্কের ছাপ।   বিধান নগর পৌরসভার ৩৫ এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা।
৬ জুন নোটিশ দিয়ে বলা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে বাড়ি খালি করে দিতে
৬ জুন নোটিশ দিয়ে বলা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে বাড়ি খালি করে দিতে
advertisement

এখানে হাজারের কাছাকাছি বাড়ি রয়েছে। সাধারণ মানুষ এই এলাকাটাকে চিংড়িঘাটা বলেই চেনে।একসময় এখান দিয়ে বিদ্যাধরী নদী বয়ে গেছিল।যদিও তার অংশবিশেষ এখনও রয়েছে।

সেই বিদ্যাধরী নদীর মজে যাওয়ার পর ওখানে দু-চারটে বসতি গড়ে উঠেছিল। অন্যদিকে সল্টলেক স্টেডিয়াম যেখানে হয়েছে, কিম্বা সল্টলেক যেখানে গড়ে উঠেছে।সেখানে প্রচুর মানুষের বসবাস ছিল। তৎকালীন সরকার এই চিংড়িঘাটার লোকেদের ওখান থেকে উচ্ছেদ করে এখানে পুনর্বাসন দিয়েছিল।

advertisement

আরও পড়ুন –  ‘একা রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর’ – মহিলাকে নিয়ে যা করে দেখাল এনআরএস হাসপাতাল

এলাকার বাসিন্দা প্রশান্ত কুমার ঘোষ, নারায়ণ ঘোষ,মানিক আচার্যদের বক্তব্য,তাদেরকে দু কাঠা করে আরবান ডেভলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট পুনর্বাসনের জন্য বাড়ি করবার জায়গা দিয়েছিল।সেই জায়গাটায় পর পর প্রজন্ম বাড়ার সঙ্গে বড় করে বাড়ি করেছে সবাই।ওখানে সবাই এসেছিল ১৯৭১/৭২ সালে।১৯৯৫সালের আগে পর্যন্ত ওই অঞ্চলটি পঞ্চায়েতের অধীনে ছিল।এবং ভাঙ্গড় থানার অধীনে ছিল। ১৯৯৫ সালে বিধান নগর পৌরসভা তৈরি হয়।তার আগেই বেশিরভাগ বাড়ি তৈরি হয়েছে।সে সময় কোনোভাবে বাড়ির প্ল্যান পাস করানোর বিষয় ছিল না।

advertisement

পৌরসভার সূত্রের খবর,ওই এলাকায় কয়েক বছরে বহু প্রমোটিং হয়েছে।সেই প্রমোটিংয়ের কোন বিল্ডিং প্ল্যান বা বৈধতা নেই।সাধারণভাবে আদালতের মামলা অনুসারে বিল্ডিং গুলি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পৌরসভা। তবে বাণিজ্যিক প্রোমোটিং করা বাড়িগুলি ভাঙ্গা হবে না,ব্যক্তিগত বাড়ি ভাঙ্গা হবে।সেটা পরবর্তী সিদ্ধান্তের ব্যাপার।এই মুহূর্তে বেআইনি বা প্ল্যান ছাড়া বাড়িগুলি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পৌরসভা।  কষ্টার্জিত রোজগারে তৈরি বাড়ি আবার ভাঙা যাবে!শুনে ভেঙে পড়েছে সবাই।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভগবানের মতো এগিয়ে এল সিভিক ভলান্টিয়ার, ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যুবককে উদ্ধার করে ফেরাল পুলিশ
আরও দেখুন

SHANKU SANTRA

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
‘একমাসের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে উঠে যেতে হবে’ নোটিশ টাঙিয়ে দিল বিধাননগর পৌরসভা, চরম আতঙ্ক
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল