প্রসঙ্গত, প্রাক্তন সিবিআই এবং আইবির প্রাক্তন কর্তাকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পরেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়।
এই বিষয়ে, নতুন রাজ্যপাল নিয়োগের আগে কেন্দ্রের তরফে তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফ থেকে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগের বিষয়টি জেনেছেন বলে পোস্ট করেছেন।
advertisement
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তার পরেই অন্তর্বর্তী রাজ্যপাল পদে রবিকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। ভোটের আগে এই নিয়োগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি-বিরোধী স্ট্যালিনের সরকারের সঙ্গে গত কয়েক বছরে বার বার সংঘাতে জড়িয়েছেন রবি। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন। ২০২৩ সাল থেকে রাজভবনে সেই চা চক্র বয়কট করে চলেছে স্ট্যালিন সরকার। অন্যদিকে, কিছু বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এবার সেই রাজ্যের রাজ্যপালকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হল।
