তবে সারা বছর ধরে কোনও গোবিন্দ ভোগের গন্ধ একই থাকলে বা হাতে নিয়ে একটা মনমুগ্ধ করা গন্ধ পেলেই ওই চাল থেকে দূরে থাকুন বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কৃষকদের দাবি বাজারে একপ্রকারের সরু চাল রয়েছে যা তুলনামূলকভাবে গোবিন্দ ভোগের চেয়ে সস্তা কিন্তু দেখতে অনেকটা একই রকমের। সেই চালের নাম জি এম ২০।
advertisement
যা জেনিটিক্যালি মডিফাইড একধরণের চালের জাত। এটা মূলত পাইল করছে মিল মালিকরা অভিযোগ কৃষকদের। ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্টিভিস্ট সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ‘ বাজারে গোবিন্দ ভোগের সুগন্ধি পাওয়া যায় যা চালের মধ্যে ছড়ালে তার গন্ধের কোনও পরিবর্তন হয় না। সারাবছর ধরেই গন্ধ থাকে। অথচ আসল গোবিন্দ ভোগের গন্ধ খুব একটা উগ্র নয়। এবং বেশিদিন থাকলে সেই গন্ধ উবেও যায় ‘। সাবধান করছেন বিশেষজ্ঞরা।বাজারে গিয়ে ভাল করে দেখে, গন্ধের বিচার করে (কম গন্ধওয়ালা) তারপর গোবিন্দ ভোগ চাল কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন ধান গবেষকরা।
প্যাকেটের উগ্র গন্ধযুক্ত গোবিন্দ ভোগ চাল কেনা থেকে বিরত থাকার কথায় বলছেন তারা। বেশিদিন যে সমস্ত চালে গন্ধ থাকে তার মানে আপনি নকল গোবিন্দ ভোগ খাচ্ছেন এমনই বলছেন চাল বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল ‘বেঙ্গল রাইস কনক্লেভ’। আয়োজনে ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে ধান চাষ ও রফতানি ও নানান পলিসি নিয়ে আলোচনা করা হল এই অনুষ্ঠানে। যেখানে উপস্থিত ছিলে মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়-সহ আরও নানান গুণি মানুষেরা। সেখানেই গোবিন্দ ভোগ নিয়ে সচেতন করা হল সাধারণ মানুষদের।
