অভিষেকের কটাক্ষ, ” ভোটার লিস্টে সাত কোটি মানুষের নাম। আর সাত লক্ষ মানুষের নাম বিচারাধীন… কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যা ১৮৯৬ সালে বলে গিয়েছিলেন! এটাই কারচুপি মোদি-শাহর।”
এদিনের মঞ্চ থেকে অভিষেক আরও বলেন, ” চুরি করে ভোটে জেতার জন্য লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ১ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র ধরে ফেলেছেন বিএলও-রা। বিবেচনাধীন নিয়ে আপত্তি নেই। সেক্ষেত্রে ৬০ লক্ষ মানুষের নাম যদি বিবেচনাধীন হয়ে থাকে তা হলে দেশের প্রধানমন্ত্রীও বিবেচনাধীন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই একমাত্র নেত্রী যিনি সাধারণ নাগরিক হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে লড়তে গিয়েছেন। আর কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দেশের মানুষ সওয়াল করতে দেখেননি। আমাদের প্রতিনিধিদলকে জ্ঞানেশ কুমার তর্জনী দেখিয়েছিল। আমরা বলেছিলাম আপনি মনোনীত। আমরা নির্বাচিত। আমাদের আঙুল দেখিয়ে লাভ নেই। ’’
advertisement
রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর প্রতিবাদে ওই ধরনা। সেখানে উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রীরা। ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটা, এসআইআর-এর নামে হয়রানি, শুনানি থেকে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় থাকা নাম, নির্বাচনের কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে বারবার তোপ দেগেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার প্রতিবাদেই শুক্রবার মেট্রো চ্যানেলে শুরু হল ধরনা৷ মমতা-অভিষেক দুজনেরই নিশানায় এদিন ছিল বিজেপি। আদালতে সব গরমিলের তথ্য জমা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন অভিষেক।
