২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের সময় বারাসত থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রথমবার জয়ী হন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। এরপর ২০১৬ এবং ২০২১ সালেও তিনি একই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জেতেন। তবে এবছর তিনি আর চাইছিলেন না প্রার্থী হতে, সেকথা নিজেই জানিয়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা এবং রাজনীতিক৷ তিনি জানিয়েছিলেন যে বয়স এবং শারীরিক কিছু সমস্যার কারণে তিনি সরে দাঁড়াতে চান৷ এবং সে কথাই সত্যি হল৷ তাঁর কথা মেনে নিল দল৷ এবার বারাসত থেকে তাঁকে আর প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হল না৷
advertisement
চিরঞ্জিত চক্রবর্তী চিরকালই স্পষ্ট বক্তা৷ এর জন্য তিনি অনেক ক্ষেত্রে বিতর্কেও জড়িয়েছেন৷ ভোটে দাঁড়াতে চান না, এই কথা বলেও বিতর্কে তৈরি হয়৷ রাজনীতিকে তিনি কখনওই হালকা ভাবে নেননি—বরং দায়িত্ব হিসেবে দেখেছেন। আর সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে না পারলে সরে দাঁড়ানোই শ্রেয়, এমনটাই ছিল বিদায়ী বিধায়কের মত। যদিও মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করলে তা নিয়ে তিনি ভাববেন, একথাও বলেছিলেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী৷ কারণ বিধায়ক-অভিনেতা বলেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের বক্তব্য রাখবেন, তারপর মুখ্যমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে। চিরঞ্জিত সরাসরি জানিয়ে দেন যে তাঁর রাজনীতিতে এসে জনপ্রিয় হওয়ার ইচ্ছা নেই। তাঁর কাছে প্রথম অগ্রাধিকার সিনেমা।
