কিন্তু কীভাবে ঘটল এই বিস্ফোরণ? দুর্ঘটনা নাকি সন্ত্রাসবাদী হামলা? ফায়ার সার্ভিসের আধিকারিকদের অবশ্য ধারণা, যে ভবনে বিস্ফোরণ হয়, সেই ভবনটির কোথাও গ্যাস জমে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানের জন্য ইতিমধ্যেই চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যে ভবনে বিস্ফোরণ হয়েছে, মৌচাক-মগবাজার সড়কের ৭৯ আউটার সার্কুলার রোডের সেই তিনতলা পুরনো ভবনটি আংশিক ধসে পড়েছে। সেই সঙ্গে আশেপাশের অন্তত এক ডজন বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের সামনের এলাকাটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে।
advertisement
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মগবাজার ফ্লাইওভারের কাছাকাছি একটি ট্রান্সফর্মার হঠাৎ সশব্দে বেজে ওঠে। বিকট শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। আর তাতেই বহু পথচারী আহত হন। দমকল বাহিনীর প্রাথমিক অনুমান ছিল, নিকটবর্তী কোনও একটি ভবনের এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ হয়েছে, সেই আগুন ছড়িয়েছে ট্রান্সফর্মারে। আর তা থেকেই হয় মারাত্মক বিস্ফোরণ। যদিও এখন মনে করা হচ্ছে, গ্যাস জমেই হয়েছে এই বিস্ফোরণ।
প্রসঙ্গত, আজ, সোমবার থেকেই বাংলাদেশ শাটডাউন হচ্ছে। প্রশাসনের জারি করা বিধি-নিষেধ অনুযায়ী, বেশিরভাগ পরিষেবা বন্ধ থাকবে আজ থেকে। বন্ধ থাকবে যান চলাচলও। এই পরিস্থিতিতে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি থেকে কর্মসূত্রে ও অন্যান্য প্রয়োজনে ঢাকায় আসা মানুষ গতকালই বাড়ি ফিরে যাওয়ার তাড়ায় ছিলেন। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ঘটে গেল বড় দুর্ঘটনা।
