ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, “ভারতীয়রা ভাল পদক্ষেপ করেছে৷ আমরা তাদের অনুরোধ করেছিলাম যাতে তারা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধ করে দেয়, এবং তারা তা করেছে। বদলে আমেরিকার থেকে তেল কিনতে চেয়েছিল ভারত৷ কিন্তু বিশ্বজুড়ে তেলের সাময়িক ঘাটতি মেটাতে আমরা তাদের অনুমতি দিয়েছি যাতে তারা রাশিয়ার সেই তেল গ্রহণ করতে পারে। ভবিষ্যতে আমরা আরও কিছু রাশিয়ান তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথাও ভাবছি।”
advertisement
আরও পড়ুন: ‘বাংলা রেগে আছে’, SIR ইস্যুতে বিচারকদের কাছে আমজনতার হয়ে আর্জি মমতার! বললেন, ‘বিচার দিন’
তিনি আরও জানান, নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে কোটি কোটি ব্যারেল রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল জাহাজে আটকে রয়েছে। এগুলো বাজারে পৌঁছাতে পারলে দ্রুত বৈশ্বিক সরবরাহ বাড়তে পারে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোষাগারের সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানালেন, আমেরিকার কোষাগার বিভাগ (ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট) ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলিকে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য সাময়িকভাবে ৩০ দিনের একটি ছাড় (waiver) দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এক্স (X)-এ পোস্ট করে বেসেন্ট জানান, ট্রাম্পের জ্বালানি নীতির ফলেই আমেরিকার তেল ও গ্যাস উৎপাদন ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ট্রেজারি বিভাগ ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের ফলে রাশিয়ান সরকারের তেমন কোনও আর্থিক লাভ হবে না, কারণ এই অনুমতি কেবল সমুদ্রে আটকে থাকা তেলের লেনদেনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷
ভারত আমেরিকার ‘গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার’, পোস্টে উল্ল্যেখ্য করে বেসেন্ট জানান ওয়াশিংটন আশা করছে যে নয়াদিল্লি ভবিষ্যতে আমেরিকা থেকে তেল কেনা বাড়াবে। তাঁর মতে, এই অস্থায়ী পদক্ষেপটি ইরানের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের চাপ কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।
