প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করা। এই প্রণালীটি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এখন বাস্তবসম্মত ফলাফল কী হতে পারে তা নতুন করে মূল্যায়ন করছেন৷
আরও পড়ুন: দেবগুরুর ডবল ‘ধামাকা’! গজকেশরী রাজযোগে ৪ রাশির বৃহস্পতি তুঙ্গে, সোনায় মুড়বে কপাল
advertisement
প্রতিবেদনে দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দিতে পারলে আমেরিকা যুদ্ধের আঁচ কমিয়ে কিছুটা সাফল্য দাবি করতে পারবে৷ এর ফলে বিশ্বের জ্বালানি সংকট প্রশমিত হবে এবং ভবিষ্যতে হামলার ক্ষেত্রে ইরানের প্রভাবও কমবে। ইসরায়েলের সিনিয়র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি ইরান আবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করে বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগোয়, তাহলে ভবিষ্যতেও সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা ইরানের এক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং তেহরান যুদ্ধ শেষ করতে চুক্তি করতে আগ্রহী। তিনি আরও জানান, ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য দেওয়া সময়সীমা আরও পাঁচ দিন বাড়ানো হয়েছে, নইলে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, একটি চুক্তি এই সপ্তাহেই হতে পারে এবং আলোচনায় মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার জড়িত ছিলেন। তবে ইরান এই দাবি অস্বীকার করেছে।
যদিও আলাপ আলোচনার দাবি, উড়িয়ে দিয়েছে ইরান৷ ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ জানান, আমেরিকার সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি৷ ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে আমেরিকা, বলেও দাবি করেন তিনি৷
