আরও পড়ুন– হতে পারে শৈত্যপ্রবাহ ! আরও শীত দক্ষিণের জেলায়, আগামী দিনে আরও ঠান্ডা বাড়বে?
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, জার্মানির চ্যান্সেলর, ইতালির প্রধানমন্ত্রী, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর একযোগে জারি করা বিবৃতিতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ‘‘গ্রিনল্যান্ড সেখানকার মানুষের। এটা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জন্য এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তারাই নিতে পারবে।’’ এই রাষ্ট্রনেতারা দাবি জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে সুমেরু অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
advertisement
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “NATO পরিষ্কার জানিয়েছে যে সুমেরু অঞ্চল অগ্রাধিকার এবং ইউরোপিয় মিত্ররা এগিয়ে আসছে। আমরা এবং অন্যান্য অনেক মিত্র দেশ উত্তর মেরুকে নিরাপদ রাখতে এবং প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করতে আমাদের উপস্থিতি, কার্যক্রম এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছি।”
মরিয়া হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারাকাসের কায়দায় সেখানেও সামরিক অভিযান চালাবে ওয়াশিংটন? এই নিয়ে জল্পনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে চরম হুঁশিয়ারি দিল বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটির ‘প্রকৃত মালিক’ ডেনমার্ক। কোপেনহেগেনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাফ কথা, ‘সবুজ দ্বীপে’ আগ্রাসনের অর্থ হল আমেরিকার সামরিক জোট নেটোর অবসান, যেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-’৪৫) পরবর্তী স্থিতিশীল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেও ভেঙে চুরমার করে দেবে।
