গত শুক্রবার ছিল মোদির বাংলাদেশ সফর । করোনা মহামারীর পর প্রথম বিদেশ সফরে প্রতিবেশী দেশেই পা রেখেছিলেন তিনি । কিন্তু মোদি সে দেশে পৌঁছনোর পর থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে মৌলবাদী ও কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমদের নির্যাতনে মদত দিচ্ছেন মোদি। চট্টগ্রামে বিক্ষোভকারীদের মিছিলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ । পুলিশের গুলিতে ৪ জন মারা যান বলে জানা গিয়েছিল । এর প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা । ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন ভাঙচুর করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয় মৌলবাদীরা । ১০ জন তাতে আহত হন। ইঞ্জিন-সহ সবকটি কামরায় ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। একাধিক সরকারি অফিস, সঙ্গীত অ্যাকাডেমি, হিন্দুদের মন্দিরে হামলা চালানো হয়. অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর চালানো হয়। ঢাকায় প্রচুর বাসে আগুন লাগানো হয়েছে। রাজশাহী, নারায়ণগঞ্জে পুলিশের উপর পাথরবৃষ্টি করে বিক্ষোভকারীরা।
advertisement
শুক্রবার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বর্ষপূর্তি পালন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী । শনিবার সকালে প্রথমে তিনি পুজো দেন বাংলাদেশের সাতক্ষীরার যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে । ওড়াকান্দিতে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা হরিচাঁদ ঠাকুরের আশ্রমেও যান তিনি । টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি স্থলে গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রদান করেন । এরপরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক সারেন । বাংলাদেশকে ১২ লক্ষ করোনা টিকার ডোজ উপহার স্বরূপ দেন মোদি।
