চার দিনের সফরের প্রথম দিনে এই ভারতীয় অভিনেত্রী টেকনাফের শামলাপুর অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ক্যাম্পে অবস্থানরত শিশুদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন। তিনি রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে বাংলাতেও কথা বলেন।
সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর মনখালি ব্রিজের পাশে অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে যান প্রিয়াঙ্কা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ইউনিসেফ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।
advertisement
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রোহিঙ্গা শিশু রিফাত হোসেনকে জিজ্ঞাসা করেন সে ক্যাম্পটি তাঁকে ঘুরে দেখাবে কিনা। শিশুটি তাঁর প্রস্তাবে রাজি হলে তার হাত ধরে রোহিঙ্গা শিবিরে হাঁটেন এই বলিউড তারকা।
আরও একটি শিশুকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বাংলায় জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমার নাম কী?’ উত্তরে ছেলেটি জানায়, মো. রফিক। সে স্কুলে যায় কিনা জিজ্ঞেস করলে মাথা নেড়ে রফিক জানায়, সে স্কুলে যায়।
মিনিট দশেক এই শিবিরে অবস্থানকালে আরও বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা শিশুর সঙ্গে কথা বলেন প্রিয়াঙ্কা। এই পরিদর্শণ নিয়ে প্রিয়াঙ্কার মত, ‘‘এখানকার শিশুদের ভীষণভাবে সাহায্যের প্রয়োজন ৷’’
তবে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক কোনও রোহিঙ্গা নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলেননি বলে জানান আবদুল আজিজ। রোহিঙ্গা শিবির থেকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে ইউনিসেফ পরিচালিত হাসপাতালে যাওয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের ভেতরে বাইরের কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, প্রিয়াঙ্কা সেখানে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।
