ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্যকে উদ্ধৃত করে নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এ বলা হয়েছে, মার্কিন অভিযানের সময় আচমকাই একটি অদ্ভুত পরিস্থিতির তৈরি হয়৷ যার জেরে কার্যত কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে ভেনেজুয়েলার গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷ ভেনেজুয়েলা র্যাডার সহ অন্যান্য যাবতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়ে৷ এর পরই ভেনেজুয়েলার আকাশে একের পর এক মার্কিন ড্রোন এবং হেলিকপ্টার দেখা যায়৷ সেখান থেকে প্রায় ২০ জনের একটি মার্কিন সেনার দল ভেনেজুয়েলার মাটিতে পা দেয়৷
advertisement
ভেনেজুয়েলার ওই রক্ষীর কথায়, মার্কিন বাহিনী এমন একটি অস্ত্র ব্যবহার করছিল যা অতি তীব্র শব্দ তরঙ্গের মতো মনে হচ্ছিল৷ যদিও সেই অস্ত্রটি ঠিক কী তা ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী চিহ্নিত করতে পারেনি৷ কিন্তু ওই অস্ত্রের হামলাতেই ভেনেজুয়েলার সেনাদের নাক থেকে রক্তপাত শুরু হয়৷ সঙ্গে শুরু হয়ে যায় রক্তবমি৷ একে একে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে থাকে ভেনেজুয়েলার সেনারা৷ অভিযানে আসা মার্কিন বাহিনী প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে অত্যন্ত এগিয়ে ছিল বলেও দাবি করেছেন ভেনেজুয়েলার ওই রক্ষী৷
ভেনেজুয়েলার রক্ষীর ওই বয়ান নিজের এক্স হ্যান্ডেলেও শেয়ার করেছেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব৷ যদিও মার্কিন কর্তৃপক্ষ অভিযানের বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি৷ ভেনেজুয়েলায় অভিযানের সময় মার্কিন সেনা পরীক্ষামূলক ভাবে কোনও প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে কি না, সেই প্রশ্নেরও জবাব দেওয়া হয়নি৷
ভেনেজুয়েলা সরকার ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছে, গত ৩ জানুয়ারির হামলায় তাদের সেনাবাহিনীর অন্তত ১০০ জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে৷ ওই রহস্যময় অস্ত্রের হামলাতেই এত প্রাণহানি হয়েছে কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত করতে পারেনি ভেনেজুয়েলার সেনা এবং সরকারও৷
প্রাক্তন একজন মার্কিন গোয়েন্দা নিউ ইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীর সদস্যরা যেভাবে কাবু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে তেজষ্ক্রিয় রশ্মি বেরিয়ে আসে এমন কোনও অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে৷ এই মারণাস্ত্র থেকে ছোট ছোট শক্তিশালী তরঙ্গ বেরিয়ে এসে শত্রুপক্ষকে কাবু করে দেয়৷ এই ধরনের অস্ত্র মার্কিন সেনার হাতে রয়েছে৷ যদিও ভেনেজুয়েলার অভিযানে এই ধরনের কোনও অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়৷
