সূত্রগুলো জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী এখনও বিভিন্ন স্থানে সন্দেহভাজন হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানে সন্ত্রাসীদের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী সূত্র জানায়, গত রাতে এসব হামলা নিরাপত্তা বাহিনী ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (এলইএ) সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে ব্যর্থ হয়েছে।
হামলা চলাকালে গোয়াদরে খুজদার এলাকার এক বালুচ শ্রমিক পরিবারের পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে একজন নারী ও তিন শিশু রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করে দেওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেছেন। তিনি নিহত ১০ কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেছেন, পুরো জাতি তাঁদের জন্য গর্বিত। পাক প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই চলবে।’
advertisement
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের অশুভ উদ্দেশ্য নস্যাৎকারী সাহসী সন্তানদের আমি স্যালুট জানাই।’ তিনি বলেন, ‘যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁরা আমাদের জাতীয় বীর এবং তাঁদের মহান আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি বলেছেন, পুলিশ ও এফসির যৌথ প্রচেষ্টায় এই হামলাগুলো ব্যর্থ হয়েছে। তিনি কোয়েটায় একটি বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
