শুক্রবার ইরানের মাটিতে ভেঙে পড়েছিল দুই আসনের মার্কিন এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান। বিমানটিতে একজন পাইলট এবং একজন ওয়েপনস সিস্টেম অফিসার ছিলেন। পাইলটকে উদ্ধার করা গেলেও ওয়েপনস সিস্টেম অফিসার নিখোঁজ ছিলেন বলে জানা যায়।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ ট্রাম্প জানান, নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ওই বিমানকর্মীকে কীভাবে উদ্ধার করা হয়। তিনি লেখেন: “আমার নির্দেশে, মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান পাঠায় তাকে উদ্ধারের জন্য। তাঁকে সুরক্ষিত অবস্থায় ইরানের মাটি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আহত, তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন।”
advertisement
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেনার বিশেষ বাহিনী ইরানের মাটিতে ঢুকে পাইলটের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। তাদের লক্ষ্য করে একের পর এক বোমাবর্ষণ করা হয়। কিন্তু সেই হামলার মধ্যেও পাইলটকে খুঁজে বার করে তারা।
Al Jazeera-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ অভিযানের জন্য প্রশিক্ষিত কয়েকশো সেনা এই উদ্ধারকাজে ছিলেন। নিয়োগ সেনারা ইরানের গভীরে প্রবেশ করে ওই বিমানকর্মীকে উদ্ধার করে বার করে আনে। তিনি এখন নিরাপদে রয়েছেন।
Al Jazeera আরও জানায়, গভীর রাতে শুরু হয় অভিযান। জখম পাইলটের অবস্থান চিহ্নিত করেন এবং তাঁকে উদ্ধার করেন। রাতের ঘুটঘুটে অন্ধকারেই গোটা অভিযান সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে, এই ‘নাটকীয় অভিযান’টি পুরোপুরি পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। মাঝপথে আচমকাই ছন্দপতন। শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। তার মধ্যেই ভোর হওয়ার আগেই জখম পাইলটকে নিয়ে ইরান ছাড়ে মার্কিন বাহিনী।
