কুয়েত ও ইজরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইরানের সর্বশেষ হামলার জবাব দিচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। চলমান এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ইরানের অনেক শীর্ষস্থানীয় বেসামরিক–সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে।
advertisement
এক মাসের বেশি সময় ধরে চলমান এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলেছে। তেল–গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানি বাহিনী কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর যেসব অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তু আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধচেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে তেহরান মনে করছে, সেগুলোতেও হামলা চালাচ্ছে ইরান।
তবে এই ধরনের হামলা একতরফা নয়, উল্টো দিক থেকেও পাল্টা আঘাত আসছে। ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর জানিয়েছেন, শনিবার ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পকেন্দ্রে ইজরায়েল বা আমেরিকার চালানো হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘মনে আছে, আমি যখন ইরানকে চুক্তি করতে বা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম, সময় ফুরিয়ে আসছে—৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ওপর চরম বিপর্যয় নেমে আসবে। এখানে ট্রাম্প গত ২৬ মার্চ ইরানকে দেওয়া তাঁর আলটিমেটামের কথাই উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের এই আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। ট্রাম্পের হুমকিকে ‘অসহায়, আতঙ্কিত, ভারসাম্যহীন ও নির্বোধ পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন ইরানি জেনারেল আলী আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি।
