গত ২২ ফেব্রুয়ারি ফের আফগান সীমান্তে বিমান হামলা করে পাকিস্তান৷ তার ঠিক ৪ দিন পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি পাল্টা আফগান হামলায় ধ্বস্ত হয়েছিল পাকিস্তান৷ বিভিন্ন বিদেশি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানের ইস্টার্ন আর্মি কর্পস একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে নিশ্চিত করে যে তাদের বাহিনী পাকিস্তানি ভূখণ্ডে আক্রমণ শুরু করেছে। আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার এবং পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয় বলে জানানো হয় ওই বিবৃতিতে৷ এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘আনুষ্ঠানিক’ ভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করার কথা জানান পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী৷
advertisement
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খ্বজা আসিফ সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে লিখেছেন, ‘আমাদের সহ্যের সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে৷ এখন ওদের আর আমাদের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ হবে’৷
সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতেই কাবুল এবং কান্দাহারের আকাশে বিমানহানা চালায় পাকিস্তান৷ একাধিক জায়গা থেকে ভারী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়৷ তারপরে প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলে দু’পক্ষের গোলাগুলি বর্ষণের আওয়াজ৷ আফগানিস্তানের তালিবান মুখপাত্র জাবিবুল্লাহ মুজাহিদ পাক বিমানহানার কথা স্বীকার করলেও জানিয়েছেন হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি৷ যদিও পাকিস্তানের দাবি তারা ১৩৩ জন আফগান যোদ্ধাকে খতম করেছে৷ পাল্টা আফগানিস্তানের দাবি, সংঘর্ষে ৫৫ জন পাক সেনা মারা গিয়েছে৷
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি এদিনের সামরিক পদক্ষেপকে ‘যথার্থ প্রতিশোধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন৷ অন্যদিকে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি সোশ্যাল মিডিয়া ‘X’ -এ লেখেন, ‘পাকিস্তান তার শান্তি এবং ভূখণ্ড রক্ষার সঙ্গে কোনও আপস করবে না’৷
আরও পড়ুন: SIR চলাকালীন মৃত্যু! এবার এমন ৬১ পরিবারকে হোমগার্ডের চাকরি, বেনজির সিদ্ধান্ত নবান্নের
তিনি লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যথাযথ এবং সিদ্ধান্তমূলক জবাব দিয়েছে৷ যারা আমাদের চুপ থাকাকে আমাদের দুর্বলতা ভাবে তারা এবার কড়া জবাব পাবে৷ কেউ ছাড় পাবে না’৷
