স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গের প্রধান ডোম জতন কুমার লালের ভাগনে মুন্না ভগত। গত ২ বছর ধরে মামার সহকারী হিসেবে মর্গে কাজ করত মুন্না। বৃহস্পতিবার, মৃত যুবতীদের সঙ্গে সঙ্গমের অভিযোগে মুন্নাকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।
সিআইডি-র অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেন্ড্যান্ট জিসান উল হক জানান, '' গত বছরের মার্চ থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে অভিযুক্ত। মৃতদের সঙ্গে সঙ্গম, যার পরিভাষা নেকরোফিলিয়া, এক ঘৃণ্য অপরাধ।''
advertisement
সিআইডি আধিকারিকরা জানান, সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন দফতরে কিছু হাই ভ্যাজাইনাল সোয়াব-এর নমুনা মেলে। ডিএনএ টেস্টে দেখা যায় মর্গে থাকা একাধিক মৃত যুবতীর শরীর থেকে একই ব্যক্তির শুক্রাণু পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে সামনে আসে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত মর্গের একজন ডোম। সেই দিনের পর দিন মৃত যুবতীদের মৃতদেহের সঙ্গে যৌন সঙ্গম করেছে।
সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে সামনে এসেছে অনন্ত এমন ৫টা রাত, যখন মৃতদেহর সঙ্গে মর্গে যৌন সঙ্গম হয়েছে, এবং সেই সময়ে মর্গে মুন্না ছাড়া আর কেউ উপস্থিত ছিল না। মুন্নাকে গ্রেফতার করার পর তার ডিএনএ টেস্ট করা হয়, পরীক্ষায় দেখা যায় যুবতীদের মৃতদেহে যে শুক্রাণু মিলেছিল, তা মুন্নার।
