গুলশানে হামলাকারীদের সঙ্গে আইএসের যোগ নেই, তারা সবাই বাংলাদেশি জঙ্গি। এ কথা জোরের সঙ্গে বলছে বাংলাদেশ সরকার। এ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও তদন্তে উঠে এসেছে, হামলায় ব্যবহৃত সব অস্ত্র স্থানীয় ভাবে তৈরি। জঙ্গিদের হাতে ছিল..
৯ এমএম পিস্তল
.২২ এসএমজি বা ছররা বন্দুক
ধারালো চাকু
advertisement
চিনা চপার
গুলশানের রেস্তোরাঁয় সেনা অভিযানে ৬ জঙ্গি মারা পড়েছিল। আটক করা হয়েছিল এক জঙ্গিকে। আটক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গুলশানের হামলার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগে বাংলাদেশে ফের হামলার আশঙ্কা। সে দেশের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর...
১. জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন হামলা করতে পারে
২. ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় আইএম
হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সে দেশে। গুলশান কাণ্ডের পর বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াচ্ছে।
মার্কিন বিদেশ সচিব জন কেরি ফোন করেন শেখ হাসিনাকে ৷ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তদন্তে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন কেরি প্রয়োজনে এফবিআই-এর গোয়েন্দাদের তদন্তে কাজে লাগাতে প্রস্তুত আমেরিকা ৷
জেএমবি-র সঙ্গে পাক গুপ্তচর সংস্থার যোগ নিয়ে ফের কড়া মন্তব্য হাসিনা সরকারের।
দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এর ফলে তলানিতে ঠেকবে। এমনটাই মনে করছেন হাসিনা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা।
