শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি জানিয়েছেন, শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তেলিখাড়ি ঘাটে দুপুরে বজ্রপাতের ঘটনাটি ঘটে। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা সকলেই ছিলেন বরযাত্রী। সকলেই ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার। বৃষ্টির সময় ঘাটের ছাউনির নিচে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময় সেখানে বজ্রপাত হয়।
পাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, বরযাত্রীরা নারায়ণপুরের আলিমনগর ঘাট থেকে পাকা এলাকায় যাচ্ছিলেন নৌকায় করে। অপরদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মেহেরুল ইসলাম বলেন, “আমরা ১৬ জনের লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। আহত আরও ১৪ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানেও কেউ কেউ মারা গিয়ে থাকতে পারেন।”
advertisement
প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বজ্রপাতের পরিমাণ ও হতাহতের ঘটনা বাড়ছে বলে জানাচ্ছে। বাংলাদেশের জাতীয় দুর্যোগের তালিকায় ২০১৬ সালের ১৭ই মে বজ্রপাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ত্রাণ মন্ত্রকের হিসাব বলছে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে বাংলাদেশে বজ্রপাতে ১৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিপুল সংখ্যক গবাদি পশুও মারা গেছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর পশ্চিমাঞ্চল বজ্রপাত-প্রবণ এলাকাগুলোর অন্যতম। গ্রীষ্মকালে এই অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।
