কী তা? একটা মহল থেকে জোরদার দাবি করা হচ্ছে, ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ নাকি চিকিৎসক ও দন্তচিকিৎসকের ছদ্মবেশে ইরানের একেবারে অন্দরে ঢুকে পড়েছিল। এমনকী এমনও দাবি করা হয়েছে, নিয়মিত দাঁতের চিকিৎসার সময় খামেনেই এবং ইরানের শীর্ষ সামরিক ও ধর্মীয় কর্মকর্তাদের দাঁতে নাকি ট্র্যাকিং চিপ বসানো হয়েছিল।
advertisement
সূত্রের খবর, ইরানের সেনা আধিকারিক থেকে শুরু করে খামেনেই ঘনিষ্ঠ সমস্ত ব্যক্তি, যাঁদের দাঁতের সমস্যা রয়েছে প্রাথমিকভাবে তাদেরকেই নিশানা করেছিল মোসাদ। ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থার আধিকারিকরা দাঁতের ডাক্তার সেজে ইরান সেনা এবং সরকারের সেই সমস্ত আধিকারিকদের চিকিৎসা করেছিলেন। আর তখনই গোপনে তাঁদের দাঁতে ‘ট্র্যাকিং চিপ’ লাগিয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা।
মোসাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল, ওই সমস্ত আধিকারিকদের উপর ক্রমাগত নজরদারি চালিয়ে খামেনেইয়ের আস্তানার ঠিকানা পাওয়া। যাতে সহজে ইরানের সুপ্রিম লিডারকে খতম করা যায়। এমনই একটি পোস্টে দাবি করা হয়, “গত কয়েক বছরে মোসাদ এজেন্টরা ডাক্তার ও দন্তচিকিৎসক সেজে ইরানে অনুপ্রবেশ করে। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও অভিজাত ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিয়ে দাঁতের ফিলিংয়ের আড়ালে ট্র্যাকিং ডিভাইস বসানো হয়।” আরও একধাপ এগিয়ে কেউ কেউ বলেছেন, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টরা নাকি চিকিৎসার সময় মাইক্রোচিপ বসিয়েছিলেন।
আরেকটি তত্ত্বও উঠে আসছে, তা হল, ইরানের শক্তিশালী সামরিক সংগঠন আইআরজিসি-এর ভেতরেই নাকি মোসাদ গোয়েন্দারা ঢুকে পড়েছিলেন। কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল ক্কানি নাকি গোপনে মোসাদ এমনকি মার্কিন সিআইএ-র তথ্যদাতা ছিলেন। অনেকে যুক্তি হিসেবে দেখিয়েছেন, হামলার ঠিক আগে ক্বানি খামেনেইর কাছাকাছি ছিলেন এবং তিনি বেঁচে যান।
