এদিকে ইরানের মেহর নিউজ জানিয়েছে ‘তুর্কি টুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত হওয়ার আগে এক বিবৃতিতে জেনারেল নায়িনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছিলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার ক্রমাগত হামলা সত্ত্বেও তেহরান এখনও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সক্ষম।
advertisement
যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করে নায়িনি বলেছিলেন, এ লড়াই চলবে। ইরানের জনগণের আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরে এই জেনারেল বলেন, ‘জনগণ চায়, শত্রু পুরোপুরি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত এ যুদ্ধ চলুক।’ যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে যখন যুদ্ধের কালো ছায়া পুরোপুরি সরে যাবে, তখনই এ যুদ্ধের অবসান ঘটা উচিত।’
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও মধ্যপ্রাচ্যে (ইরানে) মার্কিন সেনা মোতায়েন করার কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। যদি পাঠাতামও, তবে নিশ্চিতভাবেই আমি আপনাদের তা জানাতাম না। কিন্তু আমি সেনা পাঠাচ্ছি না।’
ইরানের অস্ত্র কর্মসূচি নির্মূল করতে আমেরিকা কতদূর পর্যন্ত যাবে, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলার মধ্যে ট্রাম্পের এই মন্তব্য এল। গত গ্রীষ্মে এক সামরিক অভিযানের পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও পারমাণবিক সরঞ্জাম চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সেগুলো জব্দ করার বিষয় আলোচনায় রয়েছে। এ ধরনের কোনো অভিযান চালাতে হলে ইরানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে।
