ইরানের পাল্টা আক্রমণে আমেরিকাও চাপে ! যুদ্ধের উদ্দেশ্য বদলে গিয়েছে, মোজতবা কি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন?
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Published by:Siddhartha Sarkar
Last Updated:
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এখন ২০ দিন ধরে চলছে। যুক্তরাষ্ট্র কখনও কল্পনাও করেনি যে, প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করার পর দেশটি এত দিন টিকে থাকবে।
advertisement
1/6

সংঘাতের সূত্রপাত ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে। তার জেরে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা সঙ্কটের রূপ নেয়নি। যাতে তা না নেয়, সে জন্যই এই যুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর দেশ। ফলাফল কিন্তু অপ্রত্যাশিত! মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এখন ২০ দিন ধরে চলছে। আমেরিকা কখনও কল্পনাও করেনি যে, প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করার পর দেশটি এত দিন টিকে থাকবে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে তেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং ট্রাম্পকে দেশের ভিতরে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
advertisement
2/6
ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও শীতল হয়ে এসেছে। সম্প্রতি, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ একটি সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর উদ্দেশ্য-সহ ইরান যুদ্ধের ‘প্রকৃত লক্ষ্যগুলো’ তুলে ধরেছেন। আমেরিকার নতুন লক্ষ্যগুলো শুনে অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছেন। (Photo: AP)
advertisement
3/6
আমেরিকার লক্ষ্য কি বদলে গিয়েছে: পেন্টাগনে সরাসরি উপস্থিত হয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ আমেরিকার প্রকৃত লক্ষ্য স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘প্রথম দিন থেকেই আমাদের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং এর সমগ্র শিল্প ভিত্তি এমনভাবে ধ্বংস করা যাতে সেগুলো আর পুনর্গঠন করা না যায়।’’ (Photo: AP)
advertisement
4/6
হেগসেথ এও স্পষ্ট করে দেন যে, তাঁরা ইরানের নৌবাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করবেন এবং দেশটিকে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবেন না। হেগসেথ তাঁর বিবৃতিতে একবারও উল্লেখ করেননি যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চায়। (Photo: AP)
advertisement
5/6
ট্রাম্প অন্য কিছু বলছিলেন: তবে, ট্রাম্প অতীতে বার বার বলেছেন যে তাঁর লক্ষ্য হল ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং নিজের পছন্দের একজন সর্বোচ্চ নেতাকে ক্ষমতায় বসানো। তিনি আরও বলেছেন যে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্ষমতায় বসানো যে কোনও সর্বোচ্চ নেতার জীবননাশের হুমকি রয়েছে। (Photo: AP)
advertisement
6/6
মোজতবার উপর থেকে হুমকি কি এড়ানো গিয়েছে: ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর কাছ থেকে একই ধরনের হুমকির কারণে, সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনেই জনসমক্ষে আসেননি। এখন যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র তার উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেছে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন মোজতবা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। তবে, পিট হেগসেথ তারঁ বিবৃতিতে এও বলেছেন যে ইরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের উদ্দেশ্য ভিন্ন। এর অর্থ হতে পারে যে, যুক্তরাষ্ট্র মোজতবাকে লক্ষ্যবস্তু না করলেও, নেতানিয়াহুর দৃষ্টি যে কোনও সময় তাঁর উপর পড়তে পারে! (Photo: AP)