গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর আমেরিকা-ইজরায়েল হামলা শুরু করে। তখন থেকে ইরান বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ করে দেয়। তা খুলতে মিত্রদেশগুলোকে সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু তারা সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। ফলে ইউরোপকে আর নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদার মনে করছে না আমেরিকা। ট্রাম্পের উল্লিখিত মন্তব্য সেটার সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত।
advertisement
আরও পড়ুন: অক্সিজেন সাপোর্ট নিয়েও মাঠে, মানুষের পাশে থাকতে হার মানেননি লালন
এই সংঘাতের পর আমেরিকা ন্যাটোর সদস্যপদ পুনর্বিবেচনা করবে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ওহ হ্যাঁ, আমি বলব এটি পুনর্বিবেচনার ঊর্ধ্বে। আমি কখনও ন্যাটো দ্বারা প্রভাবিত হইনি। আমি সব সময় জানতাম ওরা একটা কাগুজে বাঘ। আর পুতিনও সেটা জানেন।’
এদিকে, ফ্রান্সের কনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যালিস রুফো বলেন, ‘ন্যাটো আসলে কী, তা আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই। এটি একটি সামরিক জোট, যা ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। এটি হরমুজ প্রণালিতে অভিযান পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়নি। সেখানে এমন কিছু করা হবে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর আমেরিকা-ইজরায়েল হামলা শুরু করে। তখন থেকে ইরান বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ করে দেয়। তা খুলতে মিত্রদেশগুলোকে সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু তারা সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। ফলে ইউরোপকে আর নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদার মনে করছে না আমেরিকা।
সাড়া না দেওয়ায় ন্যাটো নিয়ে নানা কটাক্ষ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ দেশটির অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা। বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সামরিক জোটটি থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা তিনি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন এর আগে ন্যাটো মিত্রদের তিনি ‘ভীরু’ বলে বিদ্রূপ করেছিলেন।
