ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি যখন উন্মুক্ত, অবাধ ও বিপদমুক্ত হবে, তখন আমরা এটি (যুদ্ধবিরতির কথা) বিবেচনা করব। তার আগ পর্যন্ত আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি, অথবা তারা যেমনটা বলে—পাথর যুগে পাঠিয়ে দিচ্ছি!!!’
ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় এই পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। বুধবার ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এই তথ্য জানিয়েছে। টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া অবকাঠামোর মধ্যে আবাসিক ভবন, চিকিৎসা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ত্রাণ কেন্দ্রসহ নানা ধরনের বেসামরিক স্থাপনা রয়েছে।
advertisement
এই স্থাপনাগুলোর ‘উল্লেখযোগ্য অংশ’ তেহরান প্রদেশে অবস্থিত। ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরান ও তার মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ শেষ দফার হামলায় ১০০টিরও বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি অন্তত ২০০টি রকেট ছুড়েছে।
আইআরজিসির তথ্য মতে, এই সব হামলায় ইজরায়েলের বিভিন্ন স্থান এবং পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর একটি ঘাঁটি এবং কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ইউনিট রয়েছে। তাদের দাবি, সেখানে একটি হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে। ইরানের সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।
