মঙ্গলবার উইটকফ বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন, আমরা তাদের কথা সত্য বলে ধরে নিতে পারি। আশা করি, তারা (গোয়েন্দা তথ্য) বিনিময় করছে না।’ সাক্ষাৎকারে উইটকফকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি মনে করেন, রাশিয়া আমেরিকার সামরিক অবস্থান সম্পর্কে ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করছে এবং যদি করে থাকে, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসন কেন সে দেশের তেল কেনা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে?
advertisement
জবাবে উইটকফ বলেন, ‘দেখুন, আমি গোয়েন্দা কর্মকর্তা নই, তাই আমি আপনাকে বলতে পারব না। আমি আপনাকে যেটা বলতে পারি, সেটা হল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপের সময় রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা (তথ্য) বিনিময় করছেন না। তারা এটাই বলেছে।’
ইরানে ইজরায়েল ও আমেরিকার আগ্রাসন শুরুর পর আমেরিকা রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতকে ৩০ দিনের শুল্কছাড় দিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে এই ছাড় শুরু হয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে আমেরিকা। রাশিয়ার তেল কেনার জেরে গত অগাস্টে আমেরিকা শাস্তিস্বরূপ ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছিল।
উইটকফ আরও বলেন, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার সোমবার সকালে আলাদাভাবে পুতিনের বিদেশনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভের সঙ্গে কথা বলেছেন। ওই ফোনালাপে উশাকভও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় নিয়ে একই কথা বলেছেন বলে জানান উইটকফ। আমেরিকার টেলিভিশন চ্যানেল এমএস নাউ গত শনিবার দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলেছিল, রাশিয়া ইরানকে এমন সব তথ্য দিচ্ছে, যেগুলো ওই দেশের সামরিক বাহিনীকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সাহায্য করতে পারে। এক কর্মকর্তা এমএস নাউকে বলেছিলেন, রাশিয়া গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ইরানকে সহায়তা করছে।
