advertisement
আরও পড়ুনঃ “এই শহরের মেয়েরা যেন ন্যায় বিচার পায়”, কালীঘাটে পুজো দিয়ে বললেন কঙ্গনা রানাওয়াত
এই প্রেক্ষিতে ইসলামাবাদে আগামী দুই সপ্তাহ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্ট্রেইট অব হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি—এসব বিষয় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য হামলার হুমকি থেকে সরে এসে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগোচ্ছেন।
advertisement
যদিও যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হয়েছে, তবুও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা জারি হয়েছে এবং কিছু এলাকায় হামলা অব্যাহত রয়েছে। ফলে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ থাকলেও, কূটনৈতিক আলোচনাই এখন মূল ভরসা বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
