তদন্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেনি রয়টার্স। যেমন এই প্রাথমিক মূল্যায়নে কী ধরনের প্রমাণ ভূমিকা রেখেছে, হামলায় কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, কে বা কারা দায়ী, অথবা আমেরিকা কেন স্কুলটিতে হামলা করতে পারে।
advertisement
গত বুধবার আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেন, ঘটনাটির তদন্ত করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। স্পর্শকাতর সামরিক বিষয় হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেন আমেরিকার দুই কর্মকর্তা। তাঁরা এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি যে নতুন কোনও প্রমাণ সামনে আসতে পারে, যা আমেরিকাকে দায়মুক্ত করবে, আর ঘটনাটির জন্য অন্য কোনও পক্ষকে দায়ী হিসেবে ইঙ্গিত করবে।
তদন্ত আর কত দিন চলবে কিংবা মূল্যায়ন সম্পন্ন করার আগে মার্কিন তদন্তকারীরা ঠিক কী ধরনের প্রমাণ খুঁজছেন, তা জানতে পারেনি রয়টার্স। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে গত শনিবার হামলা হয়। সেদিনই ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করে আমেরিকা ও ইসরায়েল। জেনেভায় জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আলি বাহরেইনি বলেন, স্কুলটিতে হামলায় ১৫০ জন ছাত্রী নিহত হয়েছে।
তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে প্রাণহানির সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেনি। রয়টার্সের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকায় এ বিষয়ে মন্তব্য করা অনুচিত হবে।’ তদন্তের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস। তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, আমেরিকার যুদ্ধ দফতর বর্তমানে এই বিষয়টি তদন্ত করছে। ইরানের শাসকেরা দেশটির বেসামরিক নাগরিক ও শিশুদের নিশানা করছে, আমেরিকা করছে না। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় গত মঙ্গলবার এই হামলার ঘটনায় তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। স্কুলে হামলার জন্য কারা দায়ী, সে বিষয়ে অবশ্য তারা কিছু বলেনি।
