গত সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে সৌদি যুবরাজের। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এই কথা জানিয়েছে। সৌদি যুবরাজ যুক্তি দিয়েছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী হুমকির মুখে রেখেছে, যা ইরান সরকারকে নির্মূল করার মাধ্যমে দূর করা যেতে পারে। তবে সৌদি কর্মকর্তারা যুবরাজের এমন অবস্থানের কথা অস্বীকার করেছেন।
advertisement
এদিকে, ইরানে এই পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি বেসামরিক ইউনিটে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। ইরানের রেডক্রিসেন্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে ৮২ হাজার ৪১৭ টি ‘বেসামরিক ইউনিট’ বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে মোট ২৮১টি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ফার্মেসি রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলা এখনও চলমান। পাল্টা জবাবে ইরান ইজরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
অপরদিকে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ জ্বালানিসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির জলের নীচে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ট্রাফিক পরিচালনা করা একাধিক সাবমেরিন কেব্লও রয়েছে। তাই ইরান হরমুজ প্রণালির নিচে থাকা সাবমেরিন কেব্লগুলো কেটে ফেললে বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট বিভ্রাট ও আর্থিক ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
