বাকের জোলকাদর বিভিন্ন সময়ে সামরিক, বেসামরিক এবং বিচারিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে শীর্ষপর্যায়ের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একটি ডিভিশন পরিচালনা করার পর তাঁর উত্থান ঘটে। ওই সময় তাঁকে ইরাকের কুর্দিসহ সীমান্তবর্তী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
advertisement
এরপর কয়েক বছরের জন্য বিপ্লবী গার্ডের সেকন্ড-ইন-কমান্ড হয়ে ওঠেন বাকের জোলকাদর। সম্প্রতি তিনি এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের দায়িত্ব পান। এই কাউন্সিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে পরামর্শ দেয় এবং দেশটির পার্লামেন্ট ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের মধ্যে মধ্যস্থতার কাজ করে।
পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ফলে জোলকাদর নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির আস্থা অর্জন করেছিলেন। জোলকাদরের মতো দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দিয়ে ইরান এই বার্তা দিল যে, তেহরান তার জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে চায়।
