স্থানীয় সময় গত শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে খামেনেইয়ের কম্পাউন্ডে হামলা হয়। হামলায় ইজরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ৩০টি বোমা ব্যবহার করে। শনিবার সকালে ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে আমেরিকা ও ইজরায়েল। সোমবার সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলের একটি কম্পাউন্ডে চালানো হামলায় খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন।
advertisement
সূত্রের খবর, আমেরিকা ও ইজরায়েল যখন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তার আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য পায়। সিআইএ জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপ্লেক্সে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে। এই বৈঠকে খামেনেইও থাকবেন।
সিআইএ এই তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ইজরায়েলকে জানিয়ে দেয়। নতুন এই গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগাতে আমেরিকা ও ইজরায়েল হামলার সময়সূচি বদলে ফেলে। এই অভিযানে একটি কর্মবণ্টন থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে মনোযোগী ইজরায়েল। আর আমেরিকা প্রধানত ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হামলা করছে।
বস্তুত যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। শনিবার খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই উত্তাল পরিস্থিতি। তার মাঝেই সোমবার ইরান বিরাট দাবি করেছে। দাবি, ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বাড়ি-কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে যে তারা ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিস এবং ইজরায়েলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইজরায়েলি প্রতিবেদনগুলি আবার ইরানের দাবি অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, নেতানিয়াহুর অফিসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে, তা মিথ্যা। বস্তুত ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষ যত এগিয়েছে, তত জটিল হয়েছে পরিস্থিতি। সোমবার কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, কুয়েতে ভেঙে পড়েছে একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান। তবে দুর্ঘটনায় বিমানকর্মীদের কোনও প্রাণহানি ঘটেনি।
