রিপোর্ট অনুযায়ী, তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে তারা আগামী দিনে ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে কোনও আধিকারিক পাঠাবে না। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে যে শর্তগুলি দেওয়া হয়েছে, সেগুলি তাদের কাছে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলেই দাবি করেছে ইরান।
হরমুজ পেরিয়ে মাঝসমুদ্রে ‘ইউ-টার্ন’! ভারতে আসার পথে ইরানি তেলবাহী জাহাজ হঠাৎ কেন ঘুরে গেল চিনের দিকে?
advertisement
শুভেন্দুর বিতর্কিত মন্তব্য! তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে রিপোর্ট, ভিডিও ফুটেজও তলব কমিশনের
তবে এই অচলাবস্থার মধ্যেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুরোপুরি থেমে নেই। রিপোর্টে উল্লেখ, তুরস্ক ও মিশর বিকল্প জায়গা—যেমন দোহা ও ইস্তানবুল—নিয়ে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে, যাতে সংলাপ ফের শুরু করা যায়।
এদিকে, ইরানকে দিয়ে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের আলোচনা চলছিল বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়, ফলে এর কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
অন্যদিকে, অ্যাক্সিওস-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। একই দিনে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতি চাইছেন, তবে তা তখনই সম্ভব যখন হরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণ খোলা, মুক্ত এবং নিরাপদ” থাকবে।
ট্রাম্প আরও লেখেন, “হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ খোলা ও নিরাপদ হলে আমরা বিবেচনা করব। ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ইরানকে এমনভাবে আঘাত করছি, যা কার্যত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।” যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এই দাবি “ভিত্তিহীন ও অসত্য” বলে খারিজ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন ষষ্ঠ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। এরই মধ্যে শুক্রবার তেহরান তাদের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে, আর যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আপাতত অনিশ্চিতই থেকে যাচ্ছে।
