ট্রাম্পের দাবি, ইরানের এই পদক্ষেপ আসলে আমেরিকার বড় জয়। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “মারাত্মক আঘাত পাওয়ার পর পশ্চিম এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়ে আত্মসমর্পণ করেছে ইরান। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে আর গুলি চালাবে না। আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের হামলার ফলেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান এতদিন পশ্চিম এশিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে রাজত্ব করতে চেয়েছিল। কিন্তু এই প্রথমবার তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে পরাজিত হয়েছে। তাঁর দাবি, পশ্চিম এশিয়ার অনেক দেশই এই পরিস্থিতির জন্য আমেরিকাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
advertisement
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প লেখেন, “ইরান আর পশ্চিম এশিয়ার ‘দাদা’ নয়। তারা এখন একেবারে পরাজিত শক্তি। আগামী কয়েক দশকেও এই পরিস্থিতি বদলাবে না। আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত বা পুরোপুরি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত অবস্থার পরিবর্তন হবে না।”
অন্যদিকে শনিবার প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian। তিনি জানান, যদি প্রতিবেশীরা আমেরিকা বা ইজ়রায়েলের হামলায় সহযোগিতা না করে, তবে ইরান তাদের উপর আর কোনও আক্রমণ চালাবে না।
এই মন্তব্যের পরই ট্রাম্প ফের তেহরানকে কড়া বার্তা দেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “আজ ইরানের উপর মারাত্মক আঘাত করা হবে।”
সম্প্রতি মার্কিন-ইজ়রায়েলি হামলার জবাবে তেহরান বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা করছিল। এতে বহু দেশ সমালোচনা করে জানায়, ইরান অযথা অন্য দেশগুলোকে সংঘাতে জড়িয়ে ফেলছে। যদিও এতদিন ইরান দাবি করে আসছিল, এই সংঘাতের জন্য দায়ী আমেরিকা ও ইজ়রায়েল, কারণ যুদ্ধ তারা শুরু করেনি।
তবে এখন অবস্থান কিছুটা নরম করে পেজ়েশকিয়ান বলেছেন, সামরিক বাহিনীর ভেতরে ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ইরান অকারণে কোনও প্রতিবেশী দেশের উপর হামলা চালাবে না।
