লন্ডনের মতো উন্নত দেশেও চিকিৎসার নামে মহিলাদের গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় বংশদ্ভুত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে৷ চিকিৎসকের নাম মণীষ শাহ৷ তার বিরুদ্ধে প্রায় ২৫জন মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ সেই নিয়েই ডঃ মণীশের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়েছে৷ নিগৃহীতা মহিলাদের পক্ষের আইনজীবী জানান যে একপ্রকার জোর করে মহিলা রোগীদের স্তন ও যোনি পরীক্ষা করতেন ডঃ মণীশ৷ তিনি ক্যান্সারের ভয় দেখাতেন৷ নির্দিষ্ট বয়সের পর মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা বেড়ে যায়৷ তবে শুধু ক্যান্সারই নয়৷ আরও কিছু স্ত্রীরোগ রয়েছে যা ক্যান্সারের থেকেও ভয়ানক৷ যার জন্য নিয়মিত স্তন ও যোনি পরীক্ষা করা উচিৎ বলেই পরামর্শ ছিল চিকিৎসকের৷ তিনি নিজেই তাদের স্তন ও যোনি ছুঁয়ে দেখতেন৷ অনেক সময় আবার পায়ুদ্বারও পরীক্ষা করা হত৷ এভাবে নিজের বিকৃতকামনা চরিতার্থ করতেন ডঃ মণীষ৷ এমনই অভিযোগ এনেছেন মহিলারা৷
advertisement
আরও পড়ুনমহিলাদের উত্যক্ত করছিল যুবক, ২২বার জুতো পেটা মহিলা পুলিশের! ভাইরাল হল ভিডিও...
২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত চলেছে এই জঘন্য কাজ৷ পুর্ব লন্ডনের মাওনেই মেডিক্যাল সেন্টারে ৫০ বছর বয়সী এই চিকিৎসকের লালসার শিকার হয়েছেন বিভিন্ন বয়সী মহিলারা৷ এমনকি ১১ বছরের কিশোরীও বাদ যায়নি এই চিকিৎসকের অত্যাচার থেকে৷ নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই চিকিৎসক৷ শুধু যৌন নির্যাতন নয়, নিজের রোগীদের আলিঙ্গন করা বা চুমুও খেতেন তিনি৷ এই ধরণের অভব্য ব্যবহারের জন্য হাসপাতাল ২০১৩-এ হাসপাতাল থেকে থেকে নির্বাসিত হয় ডঃ মণীষ শাহ৷
