সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভিক্রান্ত ঠাকুর গত ১৪ জানুয়ারি আদালতে দ্বিতীয়বার হাজির হন। গত বছর ডিসেম্বরে স্ত্রী সুপ্রিয়া ঠাকুরকে হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়৷ আদালতে নিজের আইনজীবীর পরামর্শ অনুসরণ করে ভিক্রান্ত বলেন, “আমি ম্যানস্লটার (অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড) স্বীকার করছি, কিন্তু খুনের অভিযোগে আমি দোষী নই।” প্রসঙ্গত, খুন একটি গুরুতর অভিযোগ এবং এটিকে ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে, ম্যানস্লটার সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও মৃত্যুর কারণ হয়ে থাকতে পারেন।
advertisement
আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত ২১ ডিসেম্বর অ্যাডিলেডের উত্তরাঞ্চলের একটি বাড়িতে পুলিশকে ডাকা হয়। সেখানে তারা ৩৬ বছর বয়সী সুপ্রিয়াকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশ তার ওপর সিপিআর প্রয়োগ করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ২২ ডিসেম্বর প্রথম শুনানির সময় ভিক্রান্ত জামিনের আবেদন করেননি। সে সময় প্রসিকিউশন পক্ষ আদালতের কাছে মামলাটি ১৬ সপ্তাহের জন্য মুলতবি রাখার আবেদন জানায়, কারণ তারা ডিএনএ পরীক্ষার ফল এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন-সহ বিভিন্ন প্রমাণের অপেক্ষায় ছিলেন। আদালত আগামী এপ্রিল মাসে আবার এই মামলার শুনানি করবে।
২২ ডিসেম্বর প্রথম শুনানির সময় ভিক্রান্ত জামিনের আবেদন করেননি। সে সময় প্রসিকিউশন পক্ষ আদালতের কাছে মামলাটি ১৬ সপ্তাহের জন্য মুলতবি রাখার আবেদন জানায়, কারণ তারা ডিএনএ পরীক্ষার ফল এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন-সহ বিভিন্ন প্রমাণের অপেক্ষায় ছিলেন। আদালত আগামী এপ্রিল মাসে আবার এই মামলার শুনানি করবে।
এদিকে, সুপ্রিয়ার বন্ধু এবং কমিউনিটির সদস্যরা তার ছেলেকে সহায়তা করার জন্য একটি তহবিল সংগ্রহ শুরু করেছেন। যদিও আর্ন্তজাতিক মানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ‘মৃতা সুপ্রিয়া ঠাকুর সারাদিন ছেলেকে নিয়েই, তার দেখভালেই মেতে থাকতেন৷ ছেলের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে অক্লান্ত পরিশ্রম করতেন, প্রায়ই দীর্ঘ সময় কাজ করতেন। তিনি যা কিছু করেছেন, সবই করেছেন তার ছেলের জন্য। সুপ্রিয়া তার যত্নশীল স্বভাব এবং অন্যদের সাহায্য করার প্রতি নিষ্ঠার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় কাজ করতেন এবং নিবন্ধিত নার্স হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন, মানুষের সেবা করার ইচ্ছা এবং তার ছেলের জন্য একটি ভালো ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য থেকেই। তার মর্মান্তিক মৃত্যু তার ছেলেকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করেছে এবং এক রাতের মধ্যেই তার জীবন সম্পূর্ণভাবে বদলে দিয়েছে।’
