এনডিটিভি-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত মিঠুন সরকার ভান্ডারপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন৷ গত কয়েকদিনে বাংলাদেশে একের পর এক সংখ্যালঘুর নৃশংস হত্যার ঘটনার মধ্যেই মিঠুনের মৃত্যু নতুন সংযোজন৷
গত সোমবারই বাংলাদেশের যশোর জেলায় একজন সংখ্যালঘু হিন্দু ব্যবসায়ীকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়৷ নিহত ব্যবসায়ী একটি সংবাদপত্রের সম্পাদকও ছিলেন৷ ওই দিনই নরসিংডি জেলায় একটি মুদি দোকানের মালিক একজন সংখ্যালঘুকে কুপিয়ে খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা৷
advertisement
গত ৩ জানুয়ারি খোকনচন্দ্র দাস(৫০) নামে আরও একজনকে শরিয়তপুর জেলায় প্রথমে নৃশংস ভাবে হামলা চালানোর পর জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়৷ ডিসেম্বর মাসেও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপরে একাধিক হামলার ঘটনা সামনে আসে৷ গত ২৪ ডিসেম্বর পাংসা উপজেলার রাজবাড়িতে অমৃত মণ্ডল নামে একজন সংখ্যালঘুকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়৷ ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিং-এ দিপুচন্দ্র দাস নামে এক যুবককে প্রথমে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং তার পরে তাঁর মৃতদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়৷
এই পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বাংলাদেশে৷ বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ সংখ্যালঘুদের কাউন্সিলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শুধু ডিসেম্বর মাসেই সেদেশে সংখ্যালঘুদের উপরে হামলার ৫৪টি ঘটনা ঘটেছে৷ তার মধ্যে ১০টি খুনের ঘটনা ঘটেছে৷ এর পাশাপাশি লুঠ, ধর্ষণের মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে৷সংখ্যালঘু কাউন্সিলের অভিযোগ, সাধারণ নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের কোণঠাসা করতেই হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে৷
