গালিবাফ বলেন, “ভুয়ো খবর ছড়িয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক ও তেলের বাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের তথ্য ছড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল নিজেদের জটিল পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানের জনগণ আক্রমণকারীদের কঠোর শাস্তি চায় এবং সরকার সেই লক্ষ্যেই অটল রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, তিনি ইরানের এক শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে “খুব ভালো” ও “ফলপ্রসূ” আলোচনা করেছেন। তিনি এমনকি আগের দেওয়া হুঁশিয়ারি থেকে সরে এসে ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার কথাও জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
advertisement
এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। যুদ্ধের আশঙ্কা কিছুটা কমেছে—এই প্রত্যাশায় তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমে যায় এবং শেয়ার বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। ফলে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আশাবাদ তৈরি হয়।
আরও পড়ুনঃ Jasprit Bumrah: আইপিএলের আগে চোট জসপ্রীত বুমরাহের? তারকা পেসারকে নিয়ে বাড়ল চিন্তা!
তবে ইরানের বিদেশ মন্ত্রক ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার করেছে। মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই জানান, কিছু বন্ধুপ্রতিম দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার আগ্রহের বার্তা পাওয়া গেলেও সরাসরি কোনো সংলাপ হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চলমান সংঘাতের ২৪ দিনেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
