২০১৬ সালে প্রায় ২৫ বার অস্ত্রপচারের পর কিছুটা হলেও, আবদুলের শরীর শিকড় মুক্ত হয়েছিল ৷ নিজের মতো করে পেশাতেও ফিরেছিলেন আবদুল ৷ ভালই চলছিল আবদুলের জীবনযাপন ৷ কিন্তু সব যেন নিমেষেই বদলে গেল ৷ গত বছরে মে মাসে হঠাৎই শরীরের অন্য অংশ থেকে ফের জন্মাতে শুরু করল শিকড় ৷ দেরি করলেন না আবদুল ৷ সোজা চলে এলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ৷ আবদুলকে সুস্থ করার জন্য বসানো হল মেডিক্যাল বোর্ড ৷ চলল নানা পরীক্ষা-নীরিক্ষা ৷ কিন্তু সবই গেল বিফলে ৷ ডাক্তারদের শত চেষ্টার পরও আবদুলকে হতে হল হতাশ ৷ নতুন করে শরীরে ফিরে এল শিকড় ৷
advertisement
মে মাসে আবদুলকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তাররা ৷ কিন্তু কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান আবদুল ৷ সংবাদমাধ্যমকে আবদুল জানিয়েছে, ‘আমি ভুল করেছিলাম ৷ আমার হাসপাতাল থেকে পালানো উচিত হয়নি ৷ আশা করি, ডাক্তাররা আমাকে সুস্থ করে তুলবে ৷’
আবদুলের হাত ও পা থেকে নতুন করে শিকড় জন্মাতে শুরু করেছে ৷ আবদুল একেবারেই কাজের ক্ষমতা হারিয়েছে ৷ তবে ডাক্তাররা চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছেন আবদুলকে সুস্থ করে তুলতে ৷
