সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বাইকে করে এসে তিন দুষ্কৃতী হামলা চালায় ওই পুরোহিতের উপর ৷ মধুপুর কাস্টসাগরা রাধা মদন গোপাল মঠের সেবায়েত শ্যামানন্দ দাস সেইসময় মঠ থেকে বের হয়ে পূজার জন্য ফুল তুলতে মঠের সামনের রাস্তার পাশে যাচ্ছিলেন ৷ রাস্তার উপরই ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের উপর এক কোপ মারতে থাকতে দুষ্কৃতীরা ৷ ভোরের সময় আশপাশে কোনও লোকজনও ছিল না ৷ একের পর এক আক্রমণে রক্তাক্ত বছর পঞ্চাশের ওই পুরোহিত লুটিয়ে পড়েন রাস্তায় ৷ তাঁকে ওই অবস্থায় ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা ৷
advertisement
প্রায় আধঘণ্টা পর সেবায়েতকে ওই অবস্থায় দেখতে পান এলাকাবাসী ৷ তৎক্ষণাৎ তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে ৷
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলের আরোহীদের মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। মাথায় ছিল ক্যাপ। মাঝের জনের হাতে ছিল একটি রামদা।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পুলিশ দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত করছে ৷ তবে কে বা কারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে তিনি জানান। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন জেলা পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন।
গত ১০ জুন পাবনার সদর উপজেলার হিমাইতপুর গ্রামের শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ সেবাশ্রমের সেবায়েত নিত্যরঞ্জন পান্ডেকে (৬২) কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তার তিন দিন আগেই ৭ জুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলাতেই হিন্দু পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে (৭০) কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে দুষ্কৃতীরা ৷ পর পর এই তিন ঘটনায় চিন্তায় স্থানীয় প্রশাসন ৷
