জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, প্রতিমাসে গ্যাসের বিল জমা দিতে প্রচুর মানুষ ব্যাঙ্কে ভিড় জমান। তাঁরা সেখানে লাইনে দাঁড়ান। তখন লাইনে দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়। পাশাপাশি সেটি সামাজিক মেলামেশারই অংশ। তাই এভাবে বিল দিতে গেলে করোনাভাইরাস বা ‘কোভিড–১৯’ সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার ‘গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি (গৃহস্থালি) ২০১৪’ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
advertisement
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, গ্রাহকরা অনেকেই ব্যাঙ্ক এবং ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল জমা দেন। কিন্তু বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের পক্ষে বিল জমা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং এপ্রিল মাসের বিল 'লেট ফাইন' ছাড়াই মে মাসে জমা নেওয়ার জন্য বিইআরসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ৪০ লক্ষ গ্রাহকের বাড়িতে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণ প্রতিষ্ঠান তিতাসের রয়েছে সাড়ে ২৮ লাখ গ্রাহক।পাশাপাশি ৯৬ শতাংশ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে।
