১৫ বছরের কুমারী মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, কয়েকমাস আগে কুমারী এই মেয়েটিকে ধর্ষণ করে তারই এক নিকটাত্মীয় ৷ এর ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে মেয়েটি ৷ সামাজিক লজ্জা এড়াতে আর সন্তানের ভবিষ্যতের চিন্তায় সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানায় ধর্ষিতা কুমারী মাতা ৷ স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, ওই কিশোরীটি মনে করেছিল, এই সন্তানটিকে জন্ম দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা তাকেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের ব্যবস্থাপনার খামতিই আবার নতুন করে সামনে এসেছে ৷ কারণ- বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের ফলে যদি কারো কোনও সন্তান হয়ে থাকে তাহলে তার দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। মিজ গোস্বামী জানিয়েছেন, যে সন্তান স্বীকৃতি পাচ্ছে না অথবা বাবার পরিচয় যে শিশুর নেই, তার জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি সরকার ৷ মানবাধিকার সংস্থা আইন বিভাগের কর্মকর্তা নীনা গোস্বামীর মতে, ‘১৫ বছরের একটি শিশু যখন মা হয়ে যায়, সে কি জানে মায়ের মমতা কি? শরীর এবং মনে মা হওয়ার জন্য যে পরিপক্কতা আসার কথা সেটাই তার আসেনি। তার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে পড়েছে।’ এই সব কিছুর শেষে এখনও একটা প্রশ্নের উত্তর অমিল, কে নেবে এই ধর্ষিতা মায়ের শিশুর দায়িত্ব ?
advertisement
