বিএলএ-র নামে ছড়িয়ে পড়া একটি বিবৃতিতে তাদের মিডিয়া শাখার নাম করে দাবি করা হয়েছে, অপারেশন হেরফ-এর দ্বিতীয় ভাগ হিসেবে এই পাক সেনাদের অপহরণ করা হয়েছে৷
ওই বিবৃতিতেই দাবি করা হয়েছে, যে দশ জন অপহৃত পাক সেনাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই বালোচিস্তানের বাসিন্দা৷ তাঁরা পাক সেনার অস্থায়ী সদস্য৷ ফলে তাঁদের সতর্ক করে এবারের মতো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷ বাকি যে সাত জনকে আটকে রাখা হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই পাক সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের স্থায়ী সদস্য৷ বালোচ জাতীয় আদালতে অপহৃত ওই সাত জন পাক সেনার বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে৷ তাঁদের বিরুদ্ধে বালোচিস্তানের বাসিন্দাদের উপরে হামলা চালানো, গুম করা এবং গণহত্যার মতো অভিযোগ আনা হয়েছে৷ বিচার চলাকালীন অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে৷ পাল্টা তাঁদের বিরুদ্ধে প্রমাণও আদালতে পেশ করা হয়৷ অভিযুক্তদের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে৷ তার পরেই অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে বালোচ আদালত৷
advertisement
নিজেদের আদালতে বিচার প্রক্রিয়া শেষ হলেও ওই সাত জন সেনার মুক্তির জন্য শেহবাজ শরিফ সরকারকে শর্ত দিয়েছে বিএলএ৷ তারা জানিয়েছে, অপহৃত ওই সেনা জওয়ানদের মুক্ত করতে চাইলে পাক সরকারকে বন্দি বিনিময়ে রাজি হতে হবে৷ বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে পাক সরকারকে৷
বিএলএ-র বিবৃতিতে অবশ্য মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, অতীতে একই ভাবে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের মুক্তির বিনিময়ে বন্দি মুক্তির শর্ত দিলেও তাতে সাড়া দেয়নি পাকিস্তান সরকার৷ বিএলএ-র অভিযোগ, নিজেদের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মুক্ত করতে উদ্যোগী হয়নি পাক সরকার৷ বিএলএ-এর হুঁশিয়ারি, সাত দিনের মধ্যে শেহবাজ শরিফ সরকার সাড়া না দিলে আদালতের নির্দেশ মেনে ওই সেনা জওয়ানদের শাস্তি কার্যকর করা হবে৷
