বাংলাদেশের প্রথম সারীর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিদায়ী আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ‘মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ সদস্যদের শপথ হচ্ছে। খুব সম্ভবত প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন। বিএনপি থেকে জানানো হয়েছে, বেলা সাড়ে ১১টা বা ১২টার দিকে সেখানে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা হবে৷ বিকেল চারটায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ হবে৷’ এখনও পর্যন্ত তিনি এটুকুই জানেন বলে জানালেন বিদায়ী আইন উপদেষ্টা৷
advertisement
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কী আমন্ত্রণ জানান হয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে সংবাদমাধ্যমকে আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ‘এ সম্পর্কে তাঁর জানা নেই। শুধু আজকে শুনেছেন এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বলা হয়েছে। কোনও প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে তিনি জানেন না।’ প্রথা অনুযায়ী যাঁদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা তাঁদের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ডাকা হলে বলেই জানিয়েছেন তিনি৷ পাশাপাশি, তিনি জানালেন পুরো বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দেখছে।
প্রসঙ্গত, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশিদ জানান আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ১৩ টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে৷ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিত দেশগুলির তালিকায় রয়েছে চিন, সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে এক্স হ্যান্ডলে বিএনপি লিখেছে, জাতীয় নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ জয়ের ক্ষেত্রে তারেক রহমানের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য তারা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংবেদনশীলতা এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদও প্রকাশ করেছে দলটি।
নির্বাচনে জয়ের পর শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম টেলিফোন কথোপকথনে প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর ভারতের অংশগ্রহণ কোন স্তরে হয়, তা কূটনৈতিক মহলে বিশেষভাবে নজরকাড়া বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ, তা-ই ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
