আরও পড়ুন : আজ ফের ভোটগ্রহণ জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ির ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতে
সীমান্ত পেরিয়ে এদেশের বিভিন্ন শহরের যৌনপল্লিত ঠাঁই মেলে বাংলাদেশের বহু তরুণী-কিশোরীর। চট্টগ্রামের বাসিন্দা নাহিদা সুলতানের জীবনের গল্পটা প্রায় সেরকমই। নুন আনতে পান্তা ফুরোন সংসারে একটু আর্থিক স্বাচ্ছন্দ আনতে কাজের খোঁজে বেরিয়েছিলেন নাহিদা। কিন্তু কাজ তো জুটলই না, উল্টে পড়লেন নারী পাচারকারীদের খপ্পরে।
advertisement
এরপর চেতলার এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় থেকে নাহিদা, শীলার নতুন করে বাঁচার লড়াই শুরু হয়। নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে সেলাইয়ের কাজ শেখেন দুজনেই। তবে এই শহর আপন করে নিলেও, ভিনদেশে মন বসছিল না কারোরই। পরিজনদের অপেক্ষায় দূরপানে চেয়ে থাকা।
দুচোখে স্বপ্ন একদিন না একদিন ফিরে পাবেন নিজের ঘর, নিজের রাস্তা, নিজের প্রতিবেশীদের। বহু কাঙ্খিত সেই স্বপ্ন এবার বাস্তবের পথে। ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশে ফেরার হাতছানি নাহিদা, শীলাদের সামনে।
সোমবার পেট্রাপোল সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে নিজেদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন নাহিদা, শীলা।
