এদিন হুগলির জেলা স্বাস্থ্য দফতরের টিম, শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা আক্রান্ত দম্পতির বাড়ি থেকে শিশুপুত্রকে নিয়ে এসে স্কুলে পৌঁছে দেন। সেখানে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ অন্যান্য অভিভাবকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। এটা কোনও ছোঁয়াচে রোগ নয় বলে তাঁরা ব্যাখ্যা করেন। শেষমেশ ছোট্ট শিশুটির স্কুলে আসার ব্যাপারে সম্মত হন সকলে।
advertisement
দীর্ঘদিন পর স্কুলে এসে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে ওই শিশু। অবশেষে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে আক্রান্তের পরিবারের সদস্যরা। প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি পরিবার।
আরও পড়ুন: ক্ষমা চাক পাকিস্তান!১৫ বছর পরে প্রথম বৈঠক, কী কী দাবি জানাল বাংলাদেশ? জব্দ শেহবাজ
এই বিষয়ে ডেপুটি সিএমওএইচ-২ দেবযানী বসু মল্লিক তিনি জানান, তাঁরা সকল গ্রামবাসী স্কুলের অন্যান্য বাচ্চাদের অভিভাবক অভিভাবকদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। যে বৈঠকের মধ্যে তারা গ্রামবাসীদের এটি বোঝান যে এইচআইভি রোগ কোনও ছোঁয়াচে রোগ নয়। যেভাবে অস্পৃশ্যতা তৈরি হচ্ছে তা কখনই হওয়া উচিত নয়। সেই বোঝানোতে গ্রামবাসীরা পুরো বিষয়টির যে ভ্রান্ত ধারণা ছিল তা তাদের মধ্যে থেকে কেটে গিয়েছে। আবারওওই শিশুকে স্কুলে আসার জন্য সহমত জানিয়েছে গ্রামের অন্যান্য বাচ্চাদের অভিভাবকরা। আবারো আগের মতন সবাই মিলে একসঙ্গে পড়াশোনা করবেন এমনটাই জানিয়েছেন ডেপুটি সিএমওএইচ।
রাহী হালদার





